দ্বিনিষেক:- সপুষ্পক উদ্ভিদের ক্ষেত্রে যখন একটি পুংজনন কোশ (n) ডিম্বাণুকে নিষিক্ত করে ঘৃণাণু (2n) উৎপন্ন করে তাকে প্রকৃত নিষেক বলে। কিন্তু যদি অপর পুংজনন কোশটি (n) নির্ণীত নিউক্লিয়াসকে (১০৯) নিষিক্ত করে সস্য নিউক্লিয়াস (30) গঠন করে তখন তাকে দ্বিনিষেক বলে। অর্থাৎ, দ্বিনিষেকে দুটি পুংজনন কোশ দুটি নিউক্লিয়াসকে নিষিক্ত করে।
পদ্ধতি:- (i) পরাগযোগের পর পরাগরেণু থেকে একটি পরাগনালি গঠিত হয়ে গর্ভদণ্ডের মধ্য দিয়ে বিস্তৃতহয়ে ডিম্বকের ভূণস্থলীতে প্রবেশ করে।
(ii) এই সময় ভূণস্থলীতে ওপরের দিকে তিনটিনিউক্লিয়াস (1 টি ডিম্বাণু ও ২ টি সহকারী কোশ), নীচের দিকে তিনটি প্রতিপাদ কোশ সমষ্টি (n) এবং মাঝখানে একটি নির্ণীত নিউক্লিয়াস (2n) অবস্থান করে।
(iii) পরাগরেণুর নিউক্লিয়াসটি একটি জনন নিউক্লিয়াস এবং একটি নালিকা নিউক্লিয়াস সৃষ্টি করে পরাগনালিতে প্রবেশ করে। নালিকা নিউক্লিয়াসটি বিলুপ্ত হয়ে যায় এবং জনন নিউক্লিয়াসটি দুটি পুংজনন কোশ গঠন করে।
(iv) পরাগনালিকার অগ্রভাগ বিদীর্ণ হলে পুংজনন কোশ দুটি ভ্রুণস্থলীতে প্রবেশ করে। একটি পুংজনন কোশ ডিম্বাণুকে এবং অপর পুংজনন কোশটি নির্ণীত নিউক্লিয়াসকে নিষিক্ত করে। ফলে দ্বিনিষেক সম্পন্ন হয়।
দশম শ্রেণির জীবন বিজ্ঞান এর সমস্ত অধ্যায় অনুযায়ী তার সব প্রশ্নের উত্তর