চক্ষুর প্রধান পাঁচটি অংশ হল-স্কেরা, কোরয়েড, রেটিনা, কর্নিয়া, আইরিশ।
নীচের ছকে এদের বিবরণ দেওয়া হলঃ
| চক্ষুর অংশ | গঠন বৈশিষ্ট্য | কাজ |
| 1. স্কেরা বা শ্বেতমণ্ডল | এটি বহিরাবরকের পশ্চাদ্ভাগের 5/6 সাদা ও অস্বচ্ছ অংশ। | এটি কোরয়েডকে রক্ষা করে। |
| 2. কর্নিয়া বা অচ্ছোদপটল | এটি বহিরাবরকের সম্মুখভাগের 1/6 স্বচ্ছ অংশ। এটি উত্তলাকার। | প্রতিসারক মাধ্যম হিসেবে কাজ করে। |
| 3. কোরয়েড বা কৃষ্ণমণ্ডল | এটি মধ্য আবরকের পশ্চাদ্ভাগের 1/6 অংশ। এই স্তরে মেলানিন রঞ্জক থাকায় এটি কালো রং-এর হয়। | রেটিনাকে রক্ষা করে এবং বিচ্ছুরিত আলোকের প্রতিফলন রোধ করে। |
| 4. আইরিশ বা কণীনিকা (Iris) | এটি অক্ষিগোলকের সামনে কর্নিয়ার পিছনে অবস্থিত বৃত্তাকার কালো পেশিময় পর্দাবিশেষ। এর কেন্দ্রে 1-৪ মিলিমিটার ব্যাসবিশিষ্ট গোলাকার ছিদ্রটিকে তারারন্দ্র বা পিউপিল (pupil) বলে। | আইরিশ তারারকে ছোটো ও বড়ো করে চোখে আলো প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ করে। |
| 5. রেটিনা বা অক্ষিপট (Retina) | এটি অক্ষিগোলকের একেবারে ভিতরের স্তর। এই স্তরটি স্নায়ুকোশ দিয়ে গঠিত। রেটিনাতে দু-রকমের স্নায়ুকোশ থাকে। যথা-রড কোশ (rod cells) এবং কোন কোশ (cone cells)। রেটিনায় প্রায় 11-12.5 কোটি রড কোশ এবং 63-68 লক্ষ কোন্ কোশ থাকে। নিশাচর প্রাণীদের রড কোশ বেশি থাকায় তারা অন্ধকারেও দেখতে পায়। | রেটিনা বস্তুর প্রতিবিম্ব গঠনে সাহায্য করে। রেটিনায় রড কোশ মৃদু আলোক শোষণে এবং কোন কোশ উজ্জ্বল আলো ও বর্ণ শোষণে সক্ষম। |
দশম শ্রেণির জীবন বিজ্ঞান এর সমস্ত অধ্যায় অনুযায়ী তার সব প্রশ্নের উত্তর