ভূমধ্যসাগরীয় জলবায়ু অঞ্চলের অবস্থান এবং জলবায়ুর বৈশিষ্ট্যগুলি আলোচনা করো।

ভূমধ্যসাগরীয় জলবায়ু অঞ্চলের অবস্থান: ভূমধ্যসাগরীয় জলবায়ু অঞ্চলের অবস্থান আলোচনা করা হল-

অক্ষাংশগত অবস্থান: ভূমধ্যসাগরীয় জলবায়ু উত্তর ও দক্ষিণ গোলার্ধের 30°-40° অক্ষাংশের মধ্যে মহাদেশসমূহের পশ্চিমভাগে পরিলক্ষিত হয়।

মহাদেশগত অবস্থান: এই জলবায়ুর অন্তর্গত দেশ বা অঞ্চলগুলি হল [1]ইউরোপ: পোর্তুগাল, স্পেন, ইটালি, গ্রিস প্রভৃতি দেশের ভূমধ্যসাগরসংলগ্ন অঞ্চলসমূহ।[2] এশিয়া: পশ্চিম তুরস্ক, লেবানন, ইজরায়েল, সিরিয়া প্রভৃতি দেশ। [3] আফ্রিকা: মিশর, লিবিয়া, মরক্কো, আলজিরিয়া প্রভৃতি দেশের ভূমধ্যসাগরসংলগ্ন অঞ্চলসমূহ এবং দক্ষিণ আফ্রিকার কেপ উপকূল। [4] উত্তর আমেরিকা: দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়া। [5] দক্ষিণ আমেরিকা: মধ্য চিলি। [6]ওশিয়ানিয়া: অস্ট্রেলিয়ার দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূল এবং নিউজিল্যান্ডের উত্তর দ্বীপ।

ভূমধ্যসাগরীয় জলবায়ুর বৈশিষ্ট্য: ভূমধ্যসাগরীয় জলবায়ুর বৈশিষ্ট্যগুলি হল- 1.জলবায়ু: সারাবছর মাঝারি উন্নতা এবং সমভাবাপন্ন জলবায়ু বিরাজ করে। 2. উয়তা: গ্রীষ্মকালে এখানে 20° সেলসিয়াস থেকে 27 °সেলসিয়াস তাপমাত্রা থাকে। শীতকালে এই অঞ্চলে উন্নতা থাকে 5° সেলসিয়াস থেকে 15° সেলসিয়াস। 3. বার্ষিক উন্নতার প্রসর: এখানে বার্ষিক উন্নতার প্রসর হয় 15° সেলসিয়াস থেকে 17° সেলসিয়াস। 4.আকাশের অবস্থা:গ্রীষ্মকাল এখানে শুষ্ক এবং এইসময় এখানকার আকাশ পরিষ্কার থাকে।5.বৃষ্টিপাত:শীতকালে আর্দ্র পশ্চিমা বায়ুর প্রভাবে এখানে ঘূর্ণবাতজনিত বৃষ্টিপাত হয়।বার্ষিক বৃষ্টিপাতের পরিমাণ 35 থেকে 65 সেমি।6.তুষারপাত:শীতকালে কোনো কোনো স্থানে তুষারপাত হয়।

Leave a Comment