জিব্বেরেলিনের উৎস:- জিব্বেরেলিন উদ্ভিদের পরিপক্ক বীজে, মুকুল, অঙ্কুরিত চারাগাছ, বীজপত্র, বর্ধিষ্ণু পাতায় সংশ্লেষিত হয়।
জিব্বেরেলিনের প্রধান ভূমিকাগুলি হল:- ①মুকুল ও বীজের সুপ্তাবস্থা ভঙ্গ (Breaks seed and bud dormancy): জিব্বেরেলিন বীজ ও মুকুলের সুপ্তাবস্থা ভঙ্গ করতে সক্ষম। যে সমস্ত বীজে ও মুকুলে স্বল্প অন্তর্জনিয় (endogenous) জিব্বেরেলিন থাকে, সেক্ষেত্রে বহির্জনিয়ু (exogenous) জিব্বেরেলিন প্রয়োগে বীজ ও মুকুলের সুপ্তাবস্থা ভঙ্গ করা যায়।
②পর্বমধ্যের দৈর্ঘ্য বৃদ্ধি (Elongation of internodes): জিব্বেরেলিনের প্রভাবে উদ্ভিদের পর্বমধ্যগুলির সংখ্যা বৃদ্ধি না ঘটে দৈর্ঘ্যে বৃদ্ধি ঘটে। ফলে উদ্ভিদদেহ অতিশয় লম্বা হয়।

③ ফলের বৃদ্ধি (Fruit growth): ফল গঠন ও ফলের বৃদ্ধিতে জিব্বেরেলিনের বিশেষ ভূমিকা আছে। আঙুর, আপেল, নাসপাতি প্রভৃতি উদ্ভিদের ফল গঠনে এবং ফলের বৃদ্ধিতে বিশেষ ভূমিকা নেয়। বিজ্ঞানী ডেনিস ও নিটস্ (Denis and Nitch) 1996 খ্রিস্টাব্দে জিব্বেরেলিনের প্রভাবে আপেলে বীজবিহীন ফল উৎপাদনের কথা উল্লেখ করেন।
দশম শ্রেণির জীবন বিজ্ঞান এর সমস্ত অধ্যায় অনুযায়ী তার সব প্রশ্নের উত্তর