1956 সাল থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত ভারতের রাজ্য পুনর্বিন্যাস
1. 1956 সালে ভাষাভিত্তিক রাজ্য পুনর্গঠন: 1953 সালের ডিসেম্বর মাসে ভারত সরকার রাজ্য পুনর্গঠন কমিশন তৈরি করে। সেই কমিশনের সুপারিশের ভিত্তিতে 1956 সালের 1 নভেম্বর ভারত সরকার প্রধানত ভাষার ভিত্তিতে 14টি রাজ্য এবং প্রশাসনিক সুবিধার জন্য 6টি কেন্দ্র-শাসিত অঞ্চল গঠন করে। এগুলি হল-
রাজ্য: ① অন্ধ্রপ্রদেশ, ② অসম, ও ওডিশা, ④ উত্তরপ্রদেশ, কেরল, ⑥ জম্মু-কাশ্মীর, ⑦ পশ্চিমবঙ্গ, ও পাঞ্জাব, বিহার, 10 মুম্বাই, ① মধ্যপ্রদেশ, ⑫ মহীশূর, 13 মাদ্রাজ এবং 14 রাজস্থান।
কেন্দ্র-শাসিত অঞ্চল: ত্রিপুরা, ② আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ, ③ দিল্লি, ④ লাক্ষাদ্বীপ, মণিপুর এবং হিমাচল প্রদেশ।
2. 1956 সালের পরবর্তী সময়ে রাজ্য পুনর্গঠন: 1956 সালে ভাষার ভিত্তিতে রাজ্য পুনর্গঠিত হওয়ার পরও বিভিন্ন সময়ে কিছু রাজ্যকে নতুন করে পুনর্গঠন করা হয়। এগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল-
| তারিখ ও সাল | রাজ্য পুনর্গঠন |
| 1 মে 1960 | পূর্বতন বোম্বাই রাজ্যকে ভাগ করে মহারাষ্ট্র ও গুজরাত রাজ্য গঠন করা হয়। |
| 1 ডিসেম্বর 1963 | নাগাল্যান্ড পূর্ণাঙ্গ রাজ্যের মর্যাদা লাভ করে। |
| 1 নভেম্বর 1966 | পূর্বতন পাঞ্জাব রাজ্যকে ভাগ করে পাঞ্জাব ও হরিয়ানা রাজ্য এবং চন্ডীগড় কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল গঠিত হয়। |
| 20 ফেব্রুয়ারি 1970 | পূর্বতন উত্তর-পূর্ব সীমান্ত অঞ্চল (NEFA) অরুণাচল প্রদেশ নামে পরিচিত হয়। |
| 1971-72 | হিমাচল প্রদেশ, মণিপুর, ত্রিপুরা ও মেঘালয় পূর্ণাঙ্গ রাজ্যে পরিণত হয়। |
| 1 নভেম্বর 1973 | পূর্বতন মহীশূর রাজ্য কর্ণাটক রাজ্য নামে পরিচিত হয়। |
| 26 এপ্রিল 1975 | চোগিয়াল-শাসিত সিকিম ভারতের 22তম অঙ্গরাজ্যে পরিণত হয়। |
| 20 ফেব্রুয়ারি 1987 | কেন্দ্র-শাসিত অঞ্চল মিজোরাম ও অরুণাচল প্রদেশ যথাক্রমে ভারতের 23তম ও 24তম পূর্ণাঙ্গ রাজ্যের মর্যাদা পায়। |
| 30 মে 1987 | কেন্দ্র-শাসিত অঞ্চল গোয়া ভারতের 25তম পূর্ণাঙ্গ রাজ্যের মর্যাদা লাভ করে। |
| 1993 | ভারতের রাজধানী দিল্লিকে ‘জাতীয় রাজধানী অঞ্চল’ আখ্যা দেওয়া হয়। |