1947 থেকে 1950 সাল পর্যন্ত ভারতের রাজনৈতিক কাঠামো: 1947 সালের 15 আগস্ট অবিভক্ত ভারতবর্ষকে দুটি ভাগে ভাগ করে ভারত ও পাকিস্তান নামে দুটি স্বাধীন রাষ্ট্র গঠন করা হয়। বিভাজিত স্বাধীন ভারতের অংশে থাকে ৭টি গভর্নর-শাসিত প্রদেশ, 4টি চিফ কমিশনার-শাসিত প্রদেশ এবং 600-র বেশি স্বাধীন দেশীয় রাজ্য। এরপর 1948-49 সালে স্বাধীন ভারতের প্রথম স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সর্দার বল্লভ ভাই প্যাটেলের প্রচেষ্টায় স্বাধীন দেশীয় রাজ্যগুলি ভারতের অন্তর্ভুক্ত হয়, কতকগুলি গভর্নর-শাসিত প্রদেশের সঙ্গে যুক্ত হয় এবং অন্যগুলি রাজপ্রমুখ শাসিত রাজ্যে রূপান্তরিত হয়। 1950 সালের 26 জানুয়ারি ভারত একটি স্বাধীন সার্বভৌম গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে এবং ভারতের নিজস্ব সংবিধান চালু হয়। এই সময় ভারতের রজ্যগুলিকে চারটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়-
| ‘ক’ শ্রেণির রাজ্য [Part-A, গভর্নর-শাসিত রাজ্য] | ‘খ’ শ্রেণির রাজ্য [Part-B, রাজপ্রমুখ-শাসিত রাজ্য] | ‘গ’ শ্রেণির রাজ্য [Part-C, চিফ কমিশনার-শাসিত রাজ্য] | ‘ঘ’ শ্রেণির অঞ্চল [Part-D, লেফটেন্যান্ট-শাসিত অঞ্চল] |
| পশ্চিমবঙ্গ, আসাম, বিহার, উড়িষ্যা, উত্তরপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ, বোম্বে, মাদ্রাজ ও পাঞ্জাব [মোট ৭টি] | হায়দ্রাবাদ, মধ্যভারত, মহীশূর, পাতিয়ালা ও পূর্ব পাঞ্জাব রাজ্য ইউনিয়ন (পেপসু বা PEPSU), জম্মু ও কাশ্মীর, রাজস্থান, সৌরাষ্ট্র ও ত্রিবাঙ্কুর-কোচিন [মোট ৪টি] | আজমের, ভোপাল, বিলাসপুর, হিমাচল প্রদেশ, কচ্ছ, কুর্গ, দিল্লি, মণিপুর, ত্রিপুরা ও বিন্ধ্য প্রদেশ [মোট 10টি] | আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ |
